ইরানি রেড ক্রিসেন্ট আরো জানায়, দেশজুড়ে অন্তত ৫০৪টি স্থানে মোট ১ হাজার ৩৯টি হামলার ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে।
ইরানি রেড ক্রিসেন্ট আরো জানায়, দেশজুড়ে অন্তত ৫০৪টি স্থানে মোট ১ হাজার ৩৯টি হামলার ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ইরানের মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ জানিয়েছে যে, ১৭৬ জন শিশু সহ ৭৪২ জন বেসামরিক নাগরিক মারা গেছেন।
ইরানি পার্লামেন্টের স্বাস্থ্য কমিশনের সদস্য ফাতেমেহ মোহাম্মদবেগি সোমবার বলেছেন, ইরানের নয়টি হাসপাতালে হামলা হয়েছে। ইসরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদেরকে লক্ষ্যবস্তু করেছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
অন্যদিকে, নরওয়ে-ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হেনগাঁও জানিয়েছে, সংঘাতের তৃতীয় দিনেই নিহতের সংখ্যা অন্তত ১ হাজার ৫০০ জনে পৌঁছায়। তাদের তথ্যমতে, নিহতদের মধ্যে প্রায় ২০০ বেসামরিক নাগরিক এবং ১ হাজার ৩০০ ইরানি বাহিনীর সদস্য।
তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে হতাহতের এ সংখ্যার বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাত অব্যাহত থাকলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা আরও নাজুক হয়ে উঠতে পারে।
এর আগে শনিবার সকালে ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। পরমাণু কর্মসূচি ইস্যুতে এই দুই দেশের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে ইরানের। যদিও তেহরান দাবি করছে, পরমাণু শক্তি অর্জন তাদের অধিকার এবং তারা তা শান্তিপূর্ণভাবে করছে।
কিন্তু ওয়াশিংটন ও তেলআবিবের দাবি, ইরান পরমাণু শক্তি অর্জন করলে ‘বিশ্ব মানবতার জন্য হুমকি’ হয়ে দাঁড়াবে। তাই দেশটিকে রুখতে তারা হামলা চালিয়েছে।