ফ্যামেমি কার্ড পাইলটিং কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ের উদ্বোধন করতে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর থেকে মৌলভীবাজারের উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিলেটের উদ্দেশে রওয়ানা হন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী সিলেট পৌঁছান।
বিমানবন্দরে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন— প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ জিকে গউছ, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) চেয়ারম্যান ও সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, সিলেটের পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেক, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
এছাড়াও অন্যান্য আসনের সংসদ সদস্য ও দলীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে সেখান থেকে তিনি মৌলভীবাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। মৌলভীবাজার পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে শ্রীমঙ্গল যাবেন। দুপুর ১টায় শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপস্থিত হয়ে ফ্যামেলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পুরো মৌলভীবাজারকে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ঢেকে ফেলা হয়েছে। মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লোকেরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকি করছেন।
গত কয়েকদিন থেকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে জেলা শহরের রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ঝেড়ে-মুছে পরিষ্কার করা হয়েছে। সার্কিট হাউস, জেলা জজ আদালত, মৌলভীবাজার পৌরসভা ভবন সহ সরকারি বিভিন্ন স্থাপনা পরিষ্কার ও রঙ করা হয়। সড়কের ব্রীজ-কালভার্টে লাল-সাদা রঙে রাঙিয়েছেন মিস্ত্রিরা। প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানস্থল মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মঞ্চ বুঝে নিয়েছে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স।