বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন

জরুরি সংবাদ সম্মেলনে যা বললেন ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল

প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশের সময়ঃ মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১১০ বার পঠিত হয়েছে
সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন আবিদুল ইসলাম খান। ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ ভোটগ্রহণ শেষে বিভিন্ন অভিযোগ করেছেন ছাত্রদল প্যানেলের সহসভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জরুরি সংবাদ সম্মেলেন তিনি এসব অভিযোগ করেন।

ভোট কারচুপির অভিযোগ করে আবিদুল ইসলাম খান বলেন, ‘অমর একুশে হলে গেছি সেখানে কারচুপির প্রমাণ পেয়েছি। রোকেয়া হলেও কথা বলেছি। তারা বলেছে কারচুপি হয়েছে। এটা কোনোভাবে আশা রাখেনি। সকাল থেকে আমাদের পোলিং এজেন্টদেরও কেন্দ্রে ঢুকতে ক্ষেত্রে বাধা প্রদান করা হয়। প্যানেলের নম্বর সিটটাও দিতে গিয়ে প্রত্যেক জায়গায় বাধার মধ্যে পড়েছি। ভোটকেন্দ্রের বাইরেও বাধার সম্মুখীন হয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সকালে আমার বিরুদ্ধে একটা বিশাল প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হয়েছে, যেখানে মেইনস্ট্রিম মিডিয়া বিভ্রান্ত হয়েছে। পরে যদিও তারা সংশোধনী দিয়েছে। রোকেয়া হলের নির্বাচনী কর্মকর্তা আমাদের এক প্রার্থীর ব্যালট নম্বর বিতরণ করার জন্য তার ছাত্রত্ব শেষ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। অথচ তারা শিবিরেরটা দিতে দিচ্ছেন। মিডিয়ার মধ্যেও নির্বাচন কারচুপির তথ্য উঠে এসেছে। এসব নিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছি।’

আরও পড়ুন : ভোটের দিন শিবিরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উমামা ফাতেমার

এদিকে ডাকসু ও হল সংসদ ভোটগ্রহণ শেষের প্রায় এক ঘণ্টা আগে নির্বাচন বর্জন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব স্টুডেন্ট ফ্রন্ট সমর্থিত প্রার্থী সহসভাপতি (ভিপি) পদে দাঁড়ানো তাহমিনা আক্তার।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

অভিযোগ করে তাহমিনা আক্তার বলেন, ‘আগে থেকে শিবির প্রার্থীর পক্ষে পূরণ করা ব্যালট দিয়ে এবং বিভিন্ন কৌশলে জালিয়াতি করে তাদের প্রার্থীকে জিতিয়ে দেওয়ার জন্য প্রহসনের ভোটগ্রহণ হচ্ছে। এসবের কারণে আমি তাহমিনা আক্তার (ব্যালট নং ১০) বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব স্টুডেন্ট ফ্রন্টের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখার পক্ষ থেকে ভিপি পদে প্রার্থিতা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিলাম।’

আরও পড়ুন : শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৮৩ শতাংশের বেশি

তিনি আরও বলেন, ‘এ ভুয়া নির্বাচন বর্জন ও বয়কট করলাম। শিবিরের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট ভিসি ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সবার ওপর অনাস্থা জ্ঞাপন করে তাদের পদত্যাগ দাবি করছি এবং বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।’

তাহমিনা আক্তার বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী। তিনি বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা হলের আবাসিক ছাত্রী। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। একই সঙ্গে নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়ার আন্দোলনে তিনি ছিলেন অগ্রণী ভূমিকায়।

এই নিউজটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও খবর