রেহেনা সুলতানা আরজু জানান, তিনি ১৯৯৬ সালে ওয়ার্ড মহিলা দলে যোগ দেন। পরবর্তীতে গুলশান থানা মহিলা দলের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-প্রচার সম্পাদক এবং ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা দলের ২ নম্বর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি আরও জানান, ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ সালে বাড্ডা থানার ১৯,২০ ও ২১ নং ওয়ার্ডে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী । তার মা ছিলেন সাবেক তিন তিনবারের কাউন্সিলর।
রেহেনা সুলতানা আরজুর ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি, হরতাল, আন্দোলন, অবস্থান কর্মসূচি, পদযাত্রা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে তিনি নিয়মিত অংশগ্রহণ করেছেন। ২০১৪ সালে বেগম খালেদা জিয়ার একটি কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে তিনি গ্রেপ্তার হন বলেও দাবি করেন।
তিনি বলেন, ২০২৩ সালের গোলাপবাগের অবস্থান কর্মসূচি এবং ২০২
৪ সালের বিভিন্ন আন্দোলনেও তিনি সক্রিয় ছিলেন। বিশেষ করে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় প্রেস ক্লাব, আইবি, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, উত্তরা জমজম টাওয়ার, বাড্ডা লিংক রোডসহ বিভিন্ন স্থানে মহিলা দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। ওই সময় রাবার বুলেট, টিয়ারশেল ও লাঠিচার্জে আহত হন বলে তিনি দাবি করেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে পল্টনে একটি কর্মসূচিতে তার হাত ভেঙে যায়। এছাড়া অবস্থান কর্মসূচিতে হামলার সময় পায়ে গুরুতর আঘাত পেয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়। হাতের অস্ত্রোপচারের পরও তিনি ঘরে বসে না থেকে পদযাত্রা, হরতাল ও দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখেন বলে উল্লেখ করেন।
রেহেনা সুলতানা আরজু বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কার কর্মসূচির বার্তা তিনি নিজ এলাকায় ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছেন এবং দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় দীর্ঘদিন কাজ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, “আমি স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বারবার নির্যাতিত হয়েছি। কারাবরণ করেছি, হামলার শিকার হয়েছি, আহত হয়েছি। দীর্ঘ ১৭ বছর দলের জন্য রাজপথে কাজ করেছি। কিন্তু সেই তুলনায় মূল্যায়ন পাইনি। তবুও দলের প্রতি আমার আনুগত্য ও ভালোবাসা অটুট রয়েছে।”
তিনি তার বক্তব্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, আলহাজ ড. এম এ কাইয়ুম, আফরোজা আব্বাস, সুলতানা আহমেদ এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, ভবিষ্যতেও দলের আদর্শ ও জনগণের স্বার্থে কাজ করে যেতে চান।