নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
রাজধানীর গেন্ডারিয়ার স্বামীবাগ মুন্সিরটেক এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে এক নারীসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
গুলিবিদ্ধ ওই নারী হাসপাতালের শয্যায় কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিজের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরেছেন। তাঁর ভাষ্য, মেয়েকে কোচিং থেকে নিয়ে আসার সময় সাদা পাঞ্জাবি পরা এক ব্যক্তি গুলি চালাচ্ছিলেন। এ সময় তাঁর পায়ে গুলি লাগে।
কান্নারত অবস্থায় ওই নারী বলেন, “আমি আমার মেয়েকে কোচিং থেকে নিয়ে আসার সময় সাদা পাঞ্জাবি পরে এক লোক গুলি করতেছিল। আমার পায়ে গুলি লাগে। এখন আমার গুলিও বের করতে পারছে না। অবস্থা তো আমার আস্তে আস্তে খারাপ হয়ে আসতেছে।”

হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, “আমি স্বামীবাগ এলাকার না, এজন্য এখানে আমার কিছু হচ্ছে না। ঢাকা মেডিকেলের লোক তারা ঠিকমতো চিকিৎসা দিচ্ছে না। এখন আমার ভিতরে তো গুলি আছে, এটা তো বের হচ্ছে না। আমি কী করব?”
এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা যায়, স্বামীবাগ মুন্সিরটেক এলাকায় গোলাগুলির ঘটনায় ওই নারীসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। আহতদের মধ্যে হোটেল কর্মচারী সিয়াম ও চা দোকানি আলমগীর হোসেনও রয়েছেন। তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। প্রাথমিকভাবে গোলাগুলির পেছনে স্থানীয় বিরোধের বিষয়টি সামনে এসেছে; একটি প্রতিবেদনে পুলিশ সূত্রে মাদকদ্রব্যের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে গুলিবিদ্ধ নারীর চিকিৎসা নিয়ে করা অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাঁর অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।