নোয়াখালীর সদর উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনায় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের আরও ১৯ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসব ঘটনায় এ নিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ৮৪ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছে।
মঙ্গলবার (০৯ জুন) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুধারাম থানার ওসি মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম। এর আগে, সোমবার দিবাগত রাত থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার বিকেলে সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আশরাফুল করিম ওরফে বাবুর নেতৃত্বে বাঁধেরহাট বাজারের জিরো পয়েন্ট এলাকায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করে। মিছিল চলাকালে তারা সরকারবিরোধী স্লোগান দেয় এবং সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।
এ ঘটনার সূত্র ধরে পরের দিন শনিবার বিকেলে উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এসময় একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয় তারা। একই দিন রাত ৮টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে পাল্টা কালাদরাপ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিমের বাড়িতে হামলা ভাঙচুরসহ তার একটি অফিসে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে বাঁধেরহাটের ঘটনায় সুধারাম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

সুধারাম থানা। ছবি : সংগৃহীত