সকাল ৮টায় প্রেস ক্লাবের সদস্য ও তাদের পরিবারের জন্য খই, মুড়ি-মুড়কি, পায়েস, বাতাসা, খিচুড়ি ও পান্তা-ইলিশসহ প্রাতঃরাশের আয়োজন করা হয়।
সকাল ৮টায় প্রেস ক্লাবের সদস্য ও তাদের পরিবারের জন্য খই, মুড়ি-মুড়কি, পায়েস, বাতাসা, খিচুড়ি ও পান্তা-ইলিশসহ প্রাতঃরাশের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সংস্কৃতির বহুত্ববাদ না বুঝে নববর্ষের ওপর কেউ কেউ নানা মতের মুখোশ চাপিয়ে দিতে চায়।
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, মোগলরা যখন এই সনের প্রবর্তন করেন, তখন তারা হিজরি সাল থেকে সংখ্যা গ্রহণ করেন এবং এর মূল ভিত্তি হিসেবে কৃষকের ফসল ও হালখাতার সংস্কৃতিকে গ্রহণ করেন। ফলে এর মধ্যেই আমাদের বাংলাদেশি সংস্কৃতির বৈশিষ্ট্য নিহিত রয়েছে।
জহির উদ্দিন স্বপন আরো বলেন, বাংলা নববর্ষ উদযাপনের মধ্য দিয়ে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার মধ্যে ঐক্যের বন্ধন গড়ে ওঠে।
সকাল ৯টায় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিশেষ অনুষ্ঠান ও আপ্যায়ন উপ-কমিটির আহ্বায়ক কাদের গনি চৌধুরী। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ।