বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০১:২৬ অপরাহ্ন

ঈদ/যাত্রা নি/র্বিঘ্ন করতে সচে/ষ্ট রয়েছে সর/কার : উপ/দেষ্টা আ/সিফ..

প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশের সময়ঃ শুক্রবার, ৬ জুন, ২০২৫
  • ১৪৮ বার পঠিত হয়েছে
মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন কোরবানি ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

শুক্রবার (০৬ জুন) সকালে রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন তিনি।

পরিদর্শনকালে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। পরিদর্শন শেষে এজাজ জানান, ঈদযাত্রায় যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ভোর থেকেই মহাখালী বাস টার্মিনালে ডিএনসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করছে।

এ সময় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শহীদুল ইসলামের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় লাবিবা ক্লাসিক লিমিটেড পরিবহন কাউন্টারে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রমাণ পাওয়ায় সড়ক পরিবহন আইনের ৮০ ধারা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

পরিদর্শনকালে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী এবং ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে সড়ক দুর্ঘটনা, গাড়ি বিকল ও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে উত্তরের পথে ৩০ কিলোমিটার এলাকায় থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ঘরমুখো যাত্রী ও চালকরা।

অন্যদিকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক ও বাসের ছাদে করে গন্তব্যে যাচ্ছেন যাত্রীরা। এ ছাড়াও স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কয়েকগুণ বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে পরিবহন সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, ফেরার সময় খালি আসতে হয় আমাদের।

অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড পরিমাণ প্রায় ৬৪ হাজার যানবাহন সেতু পারাপার হয়েছে, যা থেকে টোল আদায় হয়েছে প্রায় ৪ কোটি ১৯ লাখ টাকা।

চালক ও যাত্রীরা জানান, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে যমুনা সেতুর পূর্ব প্রান্ত থেকে আশেকপুর বাইপাস পর্যন্ত এ যানজটের সৃষ্টি হয়। ২ ঘণ্টার রাস্তা পার হতে সময় লাগছে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা। মহাসড়কে ফিটনেসবিহীন যানবাহন বিকল ও দুর্ঘটনার ফলে এ ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে যমুনা সেতুর ধারণক্ষমতা কম থাকায় স্বাভাবিকভাবে গাড়ি পারাপার করতে পারছে না। ফলে উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী গাড়িগুলো ভূঞাপুর দিয়ে ঘুরিয়ে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে।

এই নিউজটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও খবর