বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট হামিদুল ইসলাম দুলাল।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট হামিদুল ইসলাম দুলাল।
মামলার বরাত দিয়ে অ্যাডভোকেট হামিদুল ইসলাম দুলাল বলেন, ২০১২ সালে সদর উপজেলার কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের কল্যাণী পূর্বপাড়ার এস এম সায়েমের সঙ্গে ইসরাত জাহান ইমার বিয়ে হয়। সায়েম সিলেটে পূবালী ব্যাংকে সিকিউরিটি গার্ডের চাকরি করতেন। বাড়িতে সায়েমের অনুপস্থিতিতে স্ত্রী ইমা প্রতিবেশী কয়েকজন পুরুষের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলতেন।
বিষয়টি জানার পর তাদের সংসারে বিরোধ শুরু হয়। এ অবস্থায় ২০২২ সালের ৮ জুলাই সায়েম ঈদুল আজহার ছুটিতে বাড়িতে আসেন। স্ত্রী ইমা প্রথমে শরবত খাওয়ালে সায়েম ঘুমিয়ে পড়েন। এরপর রাতে সেভেন আপের সঙ্গে ঘুমের ট্যাবলেট মিশিয়ে খাওয়ালে বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে পড়েন।
এ ঘটনায় নিহত সায়েমের বাবা শেখ ফরিদ বাদী হয়ে পুত্রবধূ ইমার বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্ত শেষে ইমার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত এ রায় দেন।