বাগেরহাটের চিতলমারী হাসিনা বেগম মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে অনিয়ম ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের আজীবন দাতা সদস্য ও সাবেক অ্যাডহক কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার এম. এম. নজরুল ইসলাম এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তিনি ২০২১ সালে বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মা হাসিনা বেগম বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা এবং তার বাবা ছিলেন বিদ্যালয়ের দাতা ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা, উন্নয়ন ও সুনাম রক্ষায় তাদের পরিবারের দীর্ঘদিনের অবদান রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
বর্তমান সরকার পুনরায় অ্যাডহক কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়ায় তিনি সভাপতির পদে আবেদন করেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, একটি কুচক্রী মহল এবং একই পরিবারের কয়েকজন সদস্য—ফজলুল শেখ, তার স্ত্রী রুনা গাজী ও ভাগিনা আবেদ শেখ—বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তার নাম বাদ দিয়ে শুধুমাত্র নিজেদের নাম প্রস্তাব করার জন্য চাপ প্রয়োগ করছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, আবেদ শেখ অতীতে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে এলাকায় আলোচনা রয়েছে। এ ধরনের প্রভাব বিস্তার ও চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে প্রভাবিত করার চেষ্টা দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ইঞ্জিনিয়ার এম. এম. নজরুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও জেলাপ্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়সংগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হোক এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠন স্থগিত রাখা হোক। পাশাপাশি তার আবেদন ও যোগ্যতাকে ন্যায়সঙ্গতভাবে বিবেচনার দাবিও জানান তিনি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া গেলে পরবর্তীতে তা প্রকাশ করা হবে।