রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় মোটর পার্টস ব্যবসার আড়ালে একটি সংঘবদ্ধ মাদক, চাঁদাবাজি ও আবাসিক হোটেল নিয়ন্ত্রণকারী সিন্ডিকেট পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে আলাউদ্দিন মানিকের বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ও তার সহযোগীরা এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন।
অভিযোগ রয়েছে, পরিবহন সংশ্লিষ্ট চালক ও শ্রমিকদের ওপর জোরপূর্বক তার দোকান থেকে মোটর যন্ত্রাংশ কিনতে বাধ্য করা হয়। কেউ অন্য কোথাও থেকে পণ্য কিনলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের ধরে এনে মারধর ও শারীরিক নির্যাতনের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানিয়েছেন একাধিক ভুক্তভোগী।
এছাড়া মানিক ও তার ভাইদের ভাগিনার নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্র এলাকায় সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই চক্রটি মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, আবাসিক হোটেল নিয়ন্ত্রণ, ছিনতাই এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে তাদের প্রভাব বজায় রাখছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগীরা আরও অভিযোগ করেন, মানিকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘শফি মটরস’ থেকে নিম্নমানের পণ্য অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা হয়। এতে পরিবহন শ্রমিক ও সাধারণ ক্রেতারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সায়েদাবাদ এলাকার কয়েকটি আবাসিক হোটেলও এই চক্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি। ফলে পুরো এলাকায় এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, একাধিক অভিযোগ ও মামলা থাকার পরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে করে অভিযুক্ত চক্রটি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আলাউদ্দিন মানিকের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার দোকানেও তাকে উপস্থিত পাওয়া যায়নি।
(উল্লেখ্য: উল্লিখিত অভিযোগগুলো স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে।)