আজ বৃহস্পতিবার তথ্য ভবনে মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থা (মানস) এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড আয়োজিত ‘চলচ্চিত্রে ধূমপানের দৃশ্য নিয়ন্ত্রণে আইনের বাস্তবায়ন : সংশ্লিষ্টদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনাসভায় এ অভিমত ব্যক্ত করেন বক্তারা।
আজ বৃহস্পতিবার তথ্য ভবনে মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থা (মানস) এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড আয়োজিত ‘চলচ্চিত্রে ধূমপানের দৃশ্য নিয়ন্ত্রণে আইনের বাস্তবায়ন : সংশ্লিষ্টদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনাসভায় এ অভিমত ব্যক্ত করেন বক্তারা।
মানসের সিনিয়র প্রজেক্ট অ্যান্ড কমিউনিকেশন অফিসার মো. আবু রায়হানের সঞ্চালনায় সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভাইটাল স্ট্রাটেজিসের টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার আমিনুল ইসলাম সুজন। তিনি বলেন, চলচ্চিত্রে ধূমপানের দৃশ্য অল্পবয়সীদের প্রভাবিত করে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দর্শক জনপ্রিয়তা পাওয়া ‘তাণ্ডব’ চলচ্চিত্রে ১০২ বার ধূমপানের দৃশ্য প্রচার হয়েছে।
সকলের প্রচেষ্টায় পাবলিক প্লেস ও পরিবহনে ধূমপান অনেকাংশে কমেছে বলে মন্তব্য করেন এস. এম আব্দুর রহমান।
সভাপতির বক্তব্যে ড. অরূপরতন চৌধুরী বলেন, তামাক কম্পানিগুলো তাদের প্রচারের কৌশল পরিবতন করছে। একইভাবে ধূমপানের পরিবর্তে তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয় হচ্ছে ই-সিগারেট। এর বড় কারণ বিনোদন মাধ্যমে প্রধান চরিত্রগুলো দ্বারা সিগারেট ও ই-সিগারেটের প্রচারণা। চলচ্চিত্র শক্তিশালী বিনোদন মাধ্যম এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলো বিনোদন সহজলভ্য করেছে। তাই ওটিটি কন্টেন্ট সেন্সরশিপের আওতায় আনতে হবে। ধূমপান দিয়ে মাদকাসক্তির শুরু হয়, এটা প্রতিরোধে কাজ করতে হবে। সার্টিফিকেশন বোর্ডসহ সবাই তামাকের বিরুদ্ধে জোরালোভাবে কাজ করলে সচেতনতা ছড়িয়ে যাবে এবং ‘তামাকমুক্ত বাংলাদেশ’ লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে।