বর্তমানে ইরানে দেশটির সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং তাঁর পরিবারের চার সদস্যের বহুল আলোচিত ও বিলম্বিত রাষ্ট্রীয় জানাজা ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া চলছে।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় তিনি নিহত হন।
তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং তীব্র নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে দীর্ঘ ৪ মাস তাঁর দাফন ও জানাজা স্থগিত রাখা হয়েছিল। সম্প্রতি একটি অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার পর জুলাই মাসের শুরু থেকে এই সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শুরু হয়।
এই জানাজা ও শোকযাত্রার মূল বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
প্রথম জানাজা: তেহরানের ঐতিহাসিক ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় (Grand Mosalla) আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানীর ইমামতিতে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, এই জানাজায় প্রায় ২ কোটি মানুষ সমবেত হয়েছেন।
বিশ্ব নেতাদের উপস্থিতি: জানাজা ও শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল অংশ নিয়েছে।
এর মধ্যে রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফসহ হামাস ও হিজবুল্লাহর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পরবর্তী সূচি: রাষ্ট্রীয় সূচি অনুযায়ী, তেহরানের পর তাঁর মরদেহ পবিত্র শহর কোমে নেওয়া হবে।
এরপর শিয়াদের অন্যতম পবিত্র স্থান ইরাকের নাজাফ ও কারবালা হয়ে আগামী বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই, ২০২৬) খামেনির জন্মস্থান মাশহাদে তাঁকে চূড়ান্তভাবে দাফন করা হবে।