মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে ১১ দলীয় ঐক্যের এক বৈঠক শেষে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির ও জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা মাওলানা মামুনুল হক।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে ১১ দলীয় ঐক্যের এক বৈঠক শেষে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির ও জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা মাওলানা মামুনুল হক।
তিনি বলেন, ‘গত নির্বাচনে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটের পক্ষে রায় দিয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে নির্বাচিত সরকার এই রায় বাস্তবায়নে নানা ছলচাতুরি ও কালক্ষেপণ করছে। মানুষের ম্যান্ডেটকে তারা উপহাস করছে এবং জনগণকে অপমান করছে।’
তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে যে সংস্কার প্রস্তাব ও অধ্যাদেশগুলো তৈরি হয়েছিল, বর্তমান সরকার তার মধ্য থেকে গুরুত্বপূর্ণ ২০টি অধ্যাদেশ পাস না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত কর্মসূচিগুলো হচ্ছে—
৯ এপ্রিল বিকেল ৫টায় রাজধানীর শাহবাগে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। ৯ এপ্রিল থেকে পরবর্তী এক সপ্তাহ দেশব্যাপী এই কর্মসূচি চলবে।
১১ এপ্রিল দেশের সব মহানগরীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল।
১২ এপ্রিল দেশের সব জেলায় বিক্ষোভ কর্মসূচি।
১৩ এপ্রিল ঢাকার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (মুক্তিযোদ্ধা হল)-এ জাতীয় সেমিনার।
মামুনুল হক বলেন, ‘আমরা যেকোনো মূল্যে গণভোটের রায় কার্যকর করার দাবি আদায় করব। ফ্যাসিবাদকে আমরা আর ফিরতে দেব না।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে জ্বালানি সংকটে জনজীবন বিপর্যস্ত। সরকারি অব্যবস্থাপনার কারণে মানুষ ভোগান্তিতে আছে। এর পাশাপাশি বাতিল হওয়া আইসিটি অ্যাক্টের অপপ্রয়োগ করে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের হয়রানি করা হচ্ছে। এসব অন্যায় ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’
সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ জোটের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।