উন্নয়ন ও জনসেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ২৭ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর হিসেবে আবারও সাহিদা মোর্শেদকে দেখতে চান সাধারণ জনগণ। তিনি পূর্বে এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি তার স্বামীও বিগত সময়ে ২৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন, যার ফলে এলাকাবাসীর সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, সাহিদা মোর্শেদের দায়িত্বকাল ছিল জনমুখী ও কার্যকর। অবকাঠামো উন্নয়ন, রাস্তা-ঘাট সংস্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নতি, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে তার সক্রিয় ভূমিকা ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে নারী ও প্রবীণদের কল্যাণে বিভিন্ন উদ্যোগ এলাকাবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছিল।
ওয়ার্ডের কয়েকজন প্রবীণ বাসিন্দা জানান, “একটি পরিবারের পক্ষ থেকে দীর্ঘ সময় ধরে এলাকার সেবা করার মানসিকতা আমাদের কাছে ইতিবাচক। তারা এলাকার সমস্যা জানেন, মানুষের চাহিদা বোঝেন। তাই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সাহিদা মোর্শেদ আবারও দায়িত্ব পেলে উন্নয়নের গতি বাড়বে বলে আমরা বিশ্বাস করি।”
এ বিষয়ে সাহিদা মোর্শেদ বলেন, “আমি এবং আমার পরিবার সবসময় ২৭ নং ওয়ার্ডের মানুষের পাশে থেকেছি। অতীত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতেও সৎ ও স্বচ্ছ নেতৃত্বের মাধ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে চাই।”
সাধারণ জনগণের প্রত্যাশা—দলমত নির্বিশেষে সমন্বিত উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে ২৭ নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলা। এখন দেখার বিষয়, জনগণের এই প্রত্যাশা আগামী নির্বাচনে কতটা প্রতিফলিত হয়।