তিনি বলেন, ১৯ বছরে আগের যখন ম্যাডাম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী ছিলেন সেই সময়কার কর্মচারীদের কয়েকজনকে দেখে প্রধানমন্ত্রী নাম ধরে ডাকেন এবং তাদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের পরিবারের খোঁজ-খবর নেন। এটা একটা স্মরণীয় ঘটনা।
তিনি বলেন, ১৯ বছরে আগের যখন ম্যাডাম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী ছিলেন সেই সময়কার কর্মচারীদের কয়েকজনকে দেখে প্রধানমন্ত্রী নাম ধরে ডাকেন এবং তাদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের পরিবারের খোঁজ-খবর নেন। এটা একটা স্মরণীয় ঘটনা।
তিনি বলেন, আজকে প্রধানমন্ত্রী অফিসে এসে প্রথমে বাগানের বৃক্ষরোপণ করেন। এরপর তিনি কার্যালয়ে প্রবেশ করার সময়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একপাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে সালাম দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এই সময়ে প্রধানমন্ত্রী দূর থেকে কর্মচারী সারিতে দাঁড়িয়ে থাকা একজন কর্মচারীকে দেখে তাকে নাম ধরে ডাকেন। ওই কর্মচারঅ তৎক্ষণাৎ নিরাপত্তা ব্যবস্থা অতিক্রম করে দৌঁড়ে আসেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে।
২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হয়ে এই কার্যালয়েই অফিস করেছেন।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, ম্যাডামের সময়ে কাজ করেছেন এমন কিছু কর্মচারী যারা ১৯ বছর ধরে আছেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রী রেড ব্লকে প্রবেশ করেন যেখান প্রধানমন্ত্রী চেম্বার বা কক্ষ। প্রধানমন্ত্রী সেখানে নিজের চেয়ারে বসেন এবং দিনের কর্মসূচি অনুযায়ী মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাক টিকেট উন্মোচন করেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার বৈঠকে বসেন বলে জানান অতিরিক্ত প্রেস সচিব।
শনিবার সকাল ১০টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী এসে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়ার পর গত দুইদিন সচিবালয়ে তার দপ্তরে অফিস করেছেন তারেক রহমান। আজকেই প্রথম তিনি এখানে অফিস করলেন।