প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্বিতীয় দেশ হিসেবে সফরের জন্য চীনকে বেছে নিয়েছেন। জুনের শেষে তিনি এই সফর করবেন। গতকাল বৃহস্পতিবার চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিংয়ে ৭ম চায়না-সাউথ এশিয়া কো-অপারেশন ফোরামে বক্তব্যে এ তথ্য জানান জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল জানানো হয়, ডেপুটি স্পিকারের নেতৃত্বে সংসদীয় প্রতিনিধি দল চীন সফরে রয়েছে। চায়না-সাউথ এশিয়া কো-অপারেশন ফোরামে ডেপুটি স্পিকার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং উভয় দেশের সমন্বিত কৌশলগত সহযেগিতাকে আরেক ধাপ এগিয়ে দেবে।
এর আগে ডেপুটি স্পিকারের নেতৃত্বাধীন সংসদীয় দল ১০ম চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোজিশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করে। এতে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুকতাদির বাংলাদেশের বাণিজ্য প্রতিনিধি দলের প্রধান হিসেবে বক্তব্য দেন। এবারের এক্সপোজিশনের থিম কান্ট্রি বাংলাদেশ। মেলায় বাংলাদেশের ৮৪টি প্যাভিলিয়ন অংশগ্রহণ করছে। বিশ্বের মোট ৯০টি দেশ কুনমিংয়ের এই বিশাল মেলায় অংশগ্রহণ করছে।
বাংলাদেশের সংসদীয় দল দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়ে এবং ইউনান প্রদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সেক্রেটারি ওয়াং নিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করে। বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পায়ন, তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণ, চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ ক্ষেত্রে চীনের সহযোগিতা কামনা করেন।
সংসদীয় দলে এ ছাড়াও আছেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, বিএনপির ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব ও সংরক্ষিত আসনের সদস্য জেসমিন সুলতানা জুঁই।