শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ০২:০২ পূর্বাহ্ন

দেলোয়ার হত্যা মামলা সাবেক ডিজিএফআই প্রধান মামুন খালেদ ৫ দিনের রিমান্ডে

প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশের সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬
  • ২০ বার পঠিত হয়েছে
মিরপুর মডেল থানার দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লে. জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছিদ্দিক আজাদের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, আজ আসামি মামুনকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক কফিল উদ্দিন তার সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

রিমান্ডের তিনটি কারণে উল্লেখ করা হয়, এজাহারনামীয় আসামি গ্রেপ্তার ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের সঠিক নাম, ঠিকানা সংগ্রহ; মামলার মূল রহস্য উদঘাটন এবং ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের জন্য রিমান্ড প্রয়োজন। এ ছাড়া রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামি শেখ মামুন খালেদের নির্দেশে অজ্ঞাতনামা ৫০০-৭০০ জন আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের সন্ত্রাসীরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন, নিপীড়নের জন্য দেশীয় অস্ত্রসহ বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রের সজ্জিত হয়ে বিভিন্ন দিক থেকে নির্বিচারে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। যার ফলে ভিকটিম দেলোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন। পরবর্তীতে ভিকটিম দেলোয়ার হোসেন মৃত্যুবরণ করেন।
সন্দিগ্ধ আসামি মামুন মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে প্রাথমিক তদন্তে পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। 

মামলার ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে শেখ মামুন খালেদের নিবিড়ভাবে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড একান্ত প্রয়োজন। পরে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালতে জামিন নামঞ্জুর করে রিমান্ডের আদেশ দেন। এর আগে বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুরের ডিওএইচএসের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে মিরপুর-১০ নম্বর ফলপট্টি এলাকায় বৈষম্য বিরোধীছাত্র আন্দোলন চলাকালে হামলা চালানো হয়। আসামিরা বিভিন্ন দিক থেকে গুলি ছুড়তে থাকে। এতে আন্দোলনে অংশ নেওয়া দেলোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন।

প্রথমে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে এবং পরে শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ২১ জুলাই সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে মারা যান। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ৬ জুলাই নিহত দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী মোছা. লিজা বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।

এই নিউজটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও খবর