এতে দেখা যায়, চট্টগ্রাম থেকে সর্বোচ্চ ১২ জনকে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে ১০ জন এবং প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দুজন আছেন।
এতে দেখা যায়, চট্টগ্রাম থেকে সর্বোচ্চ ১২ জনকে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে ১০ জন এবং প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দুজন আছেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের করা তালিকায় দেখা যায়, চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে মন্ত্রী হলেন— আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, আব্দুল আওয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ও ড. খলিলুর রহমান। এ ছাড়া একই বিভাগ থেকে প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি ও মীর মুহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
ঢাকা বিভাগ থেকে মন্ত্রী হয়েছেন আফরোজা খানম রিতা, ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল ও শেখ রবিউল আলম। এ বিভাগ থেকে প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন— ইশরাক হোসেন, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ববি হাজ্জাজ, হাবিবুর রশিদ, আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।
রাজশাহী বিভাগ থেকে মন্ত্রী হয়েছেন—ইকবাল হাসান মাহমুদ, মিজানুর রহমান মিনু। প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন—এম এ মুহিত, মীর শাহে আলম, ফারজানা শারমিন, মুহাম্মদ আব্দুল বারী।
বরিশাল বিভাগ থেকে মন্ত্রী হয়েছেন—হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, জহির উদ্দিন স্বপন। প্রতিমন্ত্রীরা হলেন—আহমদ সোহেল মঞ্জুর, রাজিব আহসান, মো. নুরুল হক নুর।
খুলনা বিভাগ থেকে মন্ত্রী হয়েছেন—নিতাই রায় চৌধুরী। প্রতিমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শেখ ফরিদুল ইসলাম।
ময়মনসিংহ বিভাগে প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম, কায়সার কামাল, এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, ইয়াসের খান চৌধুরী ও এম ইকবাল হোসেইন।
রংপুর বিভাগ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, আসাদুল হাবিব মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
সিলেট বিভাগ থেকে মন্ত্রী হয়েছেন—আরিফুল হক চৌধুরী ও খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির।