থানাধীন বাসিন্দাদের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন বর্তমান অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব মনজুরুল হাসান মাসুদ।
তার যোগদানের পর থেকেই অপরাধ দমনে গৃহীত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি এবং পুলিশি তৎপরতায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিঃ তারিখে জনাব মনজুরুল হাসান মাসুদের সরাসরি নেতৃত্বে এক বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। তথ্য-প্রযুক্তির নিখুঁত ব্যবহারের মাধ্যমে উক্ত অভিযানে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামীসহ মোট ৫ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে রূপনগর থানা পুলিশ।
,
থানা সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত প্রধান আসামী মো. শাহিন (৩৮) পল্লবী থানার একটি মামলায় (১৫(১০)১৭) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০,০০০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত ছিল। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে পাঁচটি পৃথক জিআর ওয়ারেন্ট (প্রসেস নং-৫০৪/২৫, ৫১২/২৪, ৫১৪/২২, জিআর ৭১/২২) মূলতবি ছিল।
দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা এই আসামীকে গ্রেফতারের পর যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। একই অভিযানে থানা এলাকা থেকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দেবরত বিশ্বাস (৩৩), গোলাম রাব্বি (২০), রাব্বি হোসাইন (২৪) এবং মো. জামিরুল ইসলাম (২৬) নামের আরও ৪ জনকে গ্রেফতার করে স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রেরণ করা হয়।
জাতীয় দৈনিক সরেজমিনের সাথে একান্ত আলাপ
এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জাতীয় দৈনিক সরেজমিন-এর পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে অফিসার ইনচার্জ জনাব মনজুরুল হাসান মাসুদ তার পেশাদারিত্ব ও সেবামূলক মনোভাবের কথা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, আমার নিরলস পরিশ্রমে যদি এই থানাধীন মানুষ একটুও নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারে, তবেই আমার পরিশ্রম সার্থক।”
সাক্ষাৎকার চলাকালে সাংবাদিক জারা হায়াৎ তার দায়িত্ব গ্রহণের পর মামলার পরিসংখ্যান বৃদ্ধি পাওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলেন, “অবশ্যই, আমার থানায় আইন বহির্ভূত কোনো কাজ বা মামলা ছাড়া আসামী ছেড়ে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। প্রতিটি অপরাধের সঠিক নথিবদ্ধকরণ এবং আইনি প্রক্রিয়ায় আনা আমার কর্তব্য। আমি আমার দায়িত্ব থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। আপনারা যদি সঠিক তথ্য দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করেন, তবে অপরাধীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এক অনন্য অভিভাবকের প্রতিচ্ছবি
রূপনগরবাসীর কাছে জনাব মনজুরুল হাসান মাসুদ এখন একজন যোগ্য অভিভাবকের নাম। তার কাছে কর্তব্য পালনে দিন-রাতের কোনো ভেদাভেদ নেই। এলাকাবাসীর মতে, ২৪ ঘণ্টা থানাই যেন তার আবাসস্থল। সাধারণ মানুষের অভিযোগ শোনা এবং তাৎক্ষণিক আইনি প্রতিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে তার কোনো অবহেলা নেই। অমায়িক ব্যবহার এবং আপ্যায়নপ্রিয় এই কর্মকর্তার দরজায় এসে কেউ বিমুখ হয় না। রূপনগরবাসী মনে করেন, এমন একজন নিবেদিতপ্রাণ অফিসার ইনচার্জ দায়িত্বে থাকার কারণেই তারা আজ নির্বিঘ্নে জীবনযাপন করতে পারছেন।
(নিজস্ব প্রতিবেদক , জারা হায়াৎ)