সোমবার (১২ জানুয়ারি) চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ থেকে এই আদেশ হয়। ট্রাইবুনালের দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ থেকে এই আদেশ হয়। ট্রাইবুনালের দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ আসামিদের বিরুদ্ধে আনা পাঁচটি অভিযোগ পড়ে শোনান। তিনি বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের পর্যাপ্ত গ্রাউন্ড (যুক্তি, তথ্য-প্রমাণ) রয়েছে। আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আদেশ দেওয়ার আগে এই বিচারপতি দুই আসামিকে জিজ্ঞেস করেন, তারা দোষ স্বীকার করেন কি না। জবাবে আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমান নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ট্রাইব্যুনালের কাছে ন্যায়বিচার চান।
মামলার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেছিলেন আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমান। তাদের আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়। এ মামলায় প্রসিকিউশনের ‘সূচনা বক্তব্য’ উপস্থাপনের পর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি তারিখ ধার্য করা হয়েছে।
ঢাকার সদরঘাট এলাকা দিয়ে নৌপথে পালিয়ে যাওয়ার সময় ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তারা কারাগারে আছেন। ওই বছর ২৭ অক্টোবর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে জুলাই অভ্যুত্থানের সময় হত্যাসহ পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জুলাই-আগস্টের গণ-আন্দোলন দমনে তৎকালীন আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের নির্দেশে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ২৮৬টি মিথ্যা মামলা করা।
এসব অভিযোগে গত ৪ ডিসেম্বর ‘আনুষ্ঠানিক অভিযোগ’ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি শুরু হয়। অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। আর আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমানের অব্যাহতির আবেদনের পক্ষে শুনানি করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী।