শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন

গৃহবধূ থেকে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশের সময়ঃ বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৩৩ বার পঠিত হয়েছে
রাজধানীর পল্টনে বিএনপির জনসভায় বক্তব্য দেন দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
  • ৪৪ বছরের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে ছিলেন আপসহীন
  • ১৯৮২ সালের ১৩ জানুয়ারি রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশ
  • স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন খালেদা জিয়া
  • উপাধি পান ‘গণতন্ত্রের মাতা’ ও ‘আপসহীন নেত্রী’র
  • বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকায় ছিলেন ২৯তম স্থানে
  • সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রবক্তা
  • তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ছিল সংগ্রাম, সফলতা ও চরম প্রতিকূলতার এক মিশ্র ইতিহাস। সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক সংস্কার এবং জাতীয়তাবাদের আদর্শকে সমুন্নত রাখা—প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। একজন সাধারণ গৃহবধূ থেকে তিনি দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং তিনবারের সরকারপ্রধান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

    খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যে রাজনৈতিক হয়রানি ও আইনি জটিলতার পাহাড় তৈরি হয়েছিল, তা সত্ত্বেও তিনি তাঁর আদর্শ থেকে সরে আসেননি।

    তাঁর ৪৪ বছরের রাজনৈতিক জীবন ছিল বর্ণাঢ্য। তিনি ‘গণতন্ত্রের মাতা’, ‘আপসহীন নেত্রী’সহ নানা উপাধিতে মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় স্থান করে নিয়েছেন। 

    ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে যখন হত্যা করা হয়, তখন খালেদা জিয়া ছিলেন নিতান্তই একজন গৃহবধূ। রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তখন বিপর্যস্ত ও দিশাহারা।

     

    বিএনপির ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮২ সালের ১৩ জানুয়ারি একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে খালেদা জিয়া আত্মপ্রকাশ করেন। সেদিন তিনি বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদ লাভ করেন। একই বছর ৭ নভেম্বর জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে খালেদা জিয়া প্রথম বক্তব্য দেন।

    ১৯৮২ সালের ২১ জানুয়ারি বিএনপির চেয়ারম্যান নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়।

    দলের মধ্যে তখন এ নিয়ে বিভক্তি। দলের তরুণ অংশ চেয়েছিল খালেদা জিয়া দলীয় প্রধান হোক। অন্যদিকে রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তারকে বিএনপির প্রধান হিসেবে দেখেতে আগ্রহী ছিলেন তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল এরশাদ। 

    ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ তৎকালীন সেনাপ্রধান এইচ এম এরশাদ এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তারকে ক্ষমতাচ্যুত করেন। এরপর দল পরিচালনায় খালেদা জিয়ার প্রভাব বাড়তে থাকে।

    ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে খালেদা জিয়া দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হন। এরপর ১৯৮৪ সালের ১০ মে খালেদা জিয়া বিএনপির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এ সময় এরশাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। 

    খালেদা জিয়া যখন রাজনীতিতে আসেন, সেটা অনেককে চমকে দিয়েছিল। সিনিয়র সাংবাদিক শফিক রেহমান তাঁর ‘সংগ্রামী নেত্রী খালেদা জিয়া’ শীর্ষক বইয়ে লিখেছেন, ‘জিয়াউর রহমান ক্ষমতাসীন হলেও লাজুক গৃহবধূরূপে তাঁর দুই ছেলে তারেক রহমান (পিনো) ও আরাফাত রহমানকে (কোকো) নিয়ে সাংসারিক কাজে ব্যস্ত ছিলেন।’

    স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব : ১৯৮০-এর দশকে সামরিক শাসকের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে এসে তিনি যে দৃঢ়তা দেখান, তা দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের কাছে তাঁকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যায়। তাঁর নেতৃত্বে ১৯৮৩ সালের সেপ্টেম্বরে সাতদলীয় জোট গঠিত হয়। এরশাদ সরকারের সময় তিনি একাধিকবার গৃহবন্দি বা আটক হয়েছিলেন। দীর্ঘ আপসহীন সংগ্রামের কারণে তিনি দেশব্যাপী ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

    ১৯৯০ সালের গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যখন সামরিক শাসনের পতন হয় এবং দেশে নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হয়, তখন থেকে তিনি ‘গণতন্ত্রের মাতা’ উপাধিতে ভূষিত হন। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে তাঁর দলের বিজয় এবং সংসদীয় গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তন—এই সবকিছুই প্রমাণ করে যে তিনি গণতন্ত্রের জন্য একজন সফল যোদ্ধা।

    রাষ্ট্রক্ষমতায় খালেদা জিয়া : সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ৯ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে খালেদা জিয়া গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ধারক ভূমিকা পালন করেন। এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তাতে বিএনপি জয়লাভ করে এবং তিনি বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। রাজনীতিতে আসার ১০ বছরের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী হন খালেদা জিয়া।

    তিনি তিন মেয়াদে (১৯৯১-৯৬, ১৯৯৬ সালের সংক্ষিপ্ত সময় এবং ২০০১-০৬) প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়ে তিনি মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও স্বীকৃতি পান। তাঁর নির্বাচনী ইতিহাসে তিনি প্রতিটি নির্বাচনে একাধিক আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হয়েছেন।

    আপস শব্দটি ছিল অনুপস্থিত : খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক অভিধানে ‘আপস’ শব্দটি ছিল অনুপস্থিত। ২০০৭ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং পরবর্তী সময়ে নির্বাচিত সরকারের আমলে তাঁকে যে প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয়েছে, তা তাঁর ‘আপসহীন নেত্রী’ উপাধিটিকে আরো সুদৃঢ় করেছে। ২০০৭-০৮ সালের জরুরি অবস্থার সময় সামরিক সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার রাজনৈতিক সংস্কারের নামে যে শুদ্ধি অভিযান চালায়, প্রথম ও প্রধান টার্গেটে থাকা ব্যক্তিদের একজন ছিলেন তিনি। এই সময় তাঁকে দীর্ঘকাল কারাবন্দি থাকতে হয় এবং তাঁর বিরুদ্ধে অনেক মামলা করা হয়। দলের অভ্যন্তরে ভাঙন, সরকারের চাপ এবং ব্যক্তিগত জীবনের চরম অনিশ্চয়তার মধ্যেও তিনি তাঁর রাজনৈতিক আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি।

    বিএনপি সরকারের সফলতা ও উন্নয়ন : ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিজয়ের মাধ্যমে খালেদা জিয়া শুধু দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই ইতিহাস গড়েননি, বরং তিনি সংসদীয় গণতন্ত্রের একটি নতুন যুগের সূচনা করেন। প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসে তিনি প্রধানত দুটি ঐতিহাসিক কাজ সম্পন্ন করেন—প্রথমত, রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার থেকে সংসদীয় গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তনকে সাংবিধানিক রূপ দেন। এটি ছিল গণতন্ত্রের প্রতি তাঁর গভীর প্রতিশ্রুতির পরিচায়ক। দ্বিতীয়ত, তিনি অর্থনীতির উদারীকরণ ও সংস্কারের পথে হাঁটেন।

    এই আমলেই বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা চালু করেন খালেদা জিয়া। মেয়েদের দশম শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা ও উপবৃত্তির ব্যবস্থা করা হয়, যা নারী শিক্ষায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। যমুনা বহুমুখী সেতুর নির্মাণকাজও শুরু হয় এই মেয়াদে। ২০০১ সালের নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসার পর তাঁর সরকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়। এই সময়কালে প্রবৃদ্ধির হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। ২০০৫ সালে ফোর্বস ম্যাগাজিন তাঁকে বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকায় ২৯তম স্থানে রাখে।

    সর্বশেষ পরিস্থিতি : গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বিভিন্ন পর্যায়ে তাঁকে একাধিকবার গ্রেপ্তার হতে হয়। ২০০৭ সালে তিনি এক বছরের বেশি সময় কারাগারে ছিলেন। ২০১৮ সালে দুর্নীতির মামলায় কারাগারে পাঠানো হলে দুই বছরের বেশি সময় কারাগারে থাকার পর ২০২০ সালের ২৫ মার্চ শর্ত সাপেক্ষে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়। কারাগারে থাকার সময় থেকেই তাঁর শারীরিক অবস্থা অবনতির দিকে যায়। কিডনি ও লিভারের জটিলতা, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিসসহ জটিল রোগে ভুগছিলেন তিনি। ২০২১ সালে তিনি করোনায় আক্রান্ত হন এবং ২০২২ সালের জানুয়ারিতে তাঁকে সিসিইউতে ভর্তি করা হয়।

    খালেদা জিয়া ২০২৫ সালের ৭ জানুয়ারি চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান এবং ১১৭ দিন পর ৬ মে দেশে ফেরেন। এর পর থেকেই দেশি-বিদেশি চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। গত ২৩ নভেম্বর অসুস্থ হয়ে পড়লে রাতেই রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে। ৩০ ডিসেম্বর ভোরে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    একনজরে খালেদা জিয়া

    জন্মনাম : খালেদা খানম

    ডাকনাম : পুতুল

    বাবা : ইস্কান্দার মজুমদার

    মা : বেগম তৈয়বা মজুমদার

    স্বামী : শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান

    জন্ম : ১৫ আগস্ট ১৯৪৬

    জন্মস্থান : অবিভক্ত দিনাজপুর জেলার জলপাইগুড়ি

    স্থায়ী নিবাস : দিনাজপুর শহরের মুদিপাড়ায়

    আদি নিবাস : ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের মজুমদারবাড়ি

    পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে ছিলেন তৃতীয়

    বোন : খুরশীদ জাহান হক (চকলেট) ও সেলিনা ইসলাম বিউটি। ভাই : মেজর (অব.) সাঈদ ইস্কান্দার এবং শামীম ইস্কান্দার। জীবিত বোন সেলিনা ইসলাম ও ভাই শামীম ইস্কান্দার

    সন্তান : দুই সন্তানের জননী। বড় ছেলে তারেক রহমান ও ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো (১২ আগস্ট ১৯৭০-২৪ জানুয়ারি ২০১৫)

    * প্রায় অর্ধেক জীবন কেটেছে জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী হিসেবে

    * মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে কিছুদিন আত্মগোপনে ছিলেন। এরপর ১৬ মে নৌপথে ঢাকায় আসেন। বড় বোন খুরশীদ জাহানের বাসায় ১৭ জুন পর্যন্ত থাকেন। পরে ২ জুলাই সিদ্ধেশ্বরীতে এস আব্দুল্লাহর বাসা থেকে পাকিস্তানি সেনারা দুই ছেলেসহ তাঁকে বন্দি করে। ১৯৭১ সালের ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি ছিলেন। ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হলে তিনি মুক্তি পান।

    * বিএনপির হাল ধরেন ১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারি

    * সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ১৯৮৩ সালের মার্চে

    * বিএনপির চেয়ারপারসন ১৯৮৪ সালের ১০ মে

    * বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনবার

    * দেশের প্রথম ও মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী

    * প্রধানমন্ত্রী : ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে

    * ২০০৬ সালের ২৯ অক্টোবর তৃতীয় মেয়াদের প্রধনমন্ত্রিত্ব শেষ করেন

    * গ্রেপ্তার : বিএনপিতে যোগদানের পর থেকে সব মিলে ছয়বার। এরশাদবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ১৯৮৩ সালের ২৮ নভেম্বর, ১৯৮৪ সালের ৩ মে, ১৯৮৭ সালের ১১ নভেম্বর

    * ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গ্রেপ্তার হন। জামিনে মুক্ত হন ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর

    * ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিরোধীদলীয় নেত্রী হন

    * ২০১৪ সালের দশম জাতীয় নির্বাচন বর্জন করেন

    * মামলা : ২০০৭ ও ২০০৮ সালে জরুরি অবস্থায় ১৩টি, পরে আওয়ামী লীগ আমলে দেওয়া অন্য মামলাসহ মোট মামলা হয় ৩৭টি

    * ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত

    * ওই দিনই পুরান ঢাকার পরিত্যক্ত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়

    * ২০১৮ সালের ১ এপ্রিল বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়

    * ২০২০ সালের ২৫ মার্চ শর্ত সাপেক্ষে ছয় মাসের জন্য মুক্তি দেয় আ. লীগ সরকার। পরে ছয় মাস পর পর সরকার তাঁর মুক্তি নবায়ন করে

    * বাসার বাইরে কোথাও বেগম জিয়া যেতে পারতেন না। এমনকি বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্যও অনুমতি দেয়নি শেখ হাসিনা সরকার

    * ৬ অক্টোবর ২০১৮ : কারাগার থেকে অসুস্থ অবস্থায় পিজি হাসপাতালে আনা হয়

    * ২৫ মার্চ ২০২০ : সরকারের নির্বাহী আদেশে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরেন। তখন তিনি বন্দি অবস্থায় ছিলেন

    * ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে শেখ হাসিনা পালানোর পর মুক্ত হন খালেদা জিয়া

    * ২০২৫ সালের ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান

    * চার মাস পর দেশে ফেরেন ৬ মে

    * সর্বশেষ সংবাদ সম্মেলন, নির্বাহী কমিটির সভা, স্থায়ী কমিটির সভা ও ২০ দলীয় জোট সভা ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি

    * সর্বশেষ সড়কপথে ঢাকার বাইরে সিলেটে মাজার জিয়ারত ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে

    * সর্বশেষ জন্মদিন উপলক্ষে গুলশানে চেয়ারপারসন অফিসে কেক কেটে শুভেচ্ছাবিনিময় ২০১৫ সালে

এই নিউজটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও খবর