বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেছেন, গত ১৬ বছর আমাদের ওপর যারা অত্যাচার করেছে, নির্যাতন করেছে, মামলা দিয়েছে, হামলা করেছে, সবাইকে আমাদের চেনা আছে। তাদের বিচার হতেই হবে। এ সরকার যদি মনে করে, তাদের বিচার করতে সময় লাগবে, তাহলে তাদেরকে আমাদের ওপর ছেড়ে দেন, বিচার আমরাই করব।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গসহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে লিচুবাগান বাস স্টেশন চত্বরে এক জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এক আওয়াজে বলছে ভারতের গোলামি করবে না। বাংলাদেশের জনগণ দিল্লির কাছে কখনো মাথানত করবে না। আমাদের নিজেদের ভবিষ্যৎ আমরা নিজেরা ঠিক করব। একইভাবে রাঙ্গুনিয়ার মানুষ তাদের নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরা ঠিক করবে। তারেক রহমান দেশে আসার আগেই রাঙ্গুনিয়ার নেতৃত্ব কে দেবে এবং রাঙ্গুনিয়ার প্রতিনিধিত্ব কে করবেন তা ঠিক করে নেবেন।
তিনি আরও বলেন, যাদের সঙ্গে রাঙ্গুনিয়ার মানুষের সম্পর্ক নেই, শহরে বসে বসে সিদ্ধান্ত দেয় কমিটিতে কারা আসবে। তাদের বলে দিতে চাই, এ কমিটির ব্যবসা আমরা করি না। এসব কমিটি আমরা মানি না। জনগণ ঠিক করবে তাদের নেতৃত্ব কে দেবে। যারা বিএনপিকে দুর্বল করতে চাচ্ছে, তাদের জায়গা রাঙ্গুনিয়ায় নেই৷
বিএনপির এ নেতা বলেন, আপনারা তারেক রহমানের ওপর ভরসা রাখেন। দলের নেতাদের ওপর ভরসা করবেন। আশা করি সামনের নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিএনপিকে জয়লাভ করিয়ে, বিএনপির সদস্যকে এমপি হিসেবে সংসদে পাঠাবেন। বিএনপি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, ভোটের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে।
কর্মীদের উদ্দেশে হুমাম কাদের বলেন, রাউজান না রাঙ্গুনিয়া এ স্লোগান দিয়ে টিটকারি মারা হয়, আজ আমি বলছি রাঙ্গুনিয়া রাঙ্গুনিয়া। ১৮ বছর বয়স থেকে আমি রাঙ্গুনিয়ার ভোটার৷ যদি মোকাবিলা করতে হয় সামনাসামনি দাঁড়াও। সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী বাঘ ছিল। তার গর্জন আপনারা শুনেছেন। আমি সেই বাবার সন্তান।
তিনি বলেন, কর্মীদের বলব, আমাদের মাথা নত করতে হয়, এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। যাতে মাথা উঁচু করে বলতে পারি আমরা জিয়ার সৈনিক। আমাদের দলকে কখনও ছোট হতে দেব না।
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম আনোয়ারুল হক বাবুল। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপি নেতা শওকত আলী নূর, অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন, হাজী ইলিয়াস সিকদার, নিজামুল হক তপন, সৈয়দ ফজলুল করিম মিনা, নুরুল আমিন তালুকদার, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, ইউসুফ চৌধুরী, হেলাল উদ্দিন শাহ।
আরও উপস্থিত ছিলেন মো. ইসমাইল, আবদুল করিম চৌধুরী, জাহাঙ্গীর এলাহী, বাবলু বড়ুয়া, ভিপি আনছুর উদ্দিন, মাকসুদুল হক চৌধুরী, মো. সোলেমান, মুজিবুল হক, ইউসুফ সিকদার, মো. ওসমান, মো. আইয়ুব, মো. শোয়েব কাদের, সোলেমান সালমান, নাসির উদ্দিন, মো. ইরফান, সাজ্জাদ হোসেন খোকা, মো. আজাদ, জসিম উদ্দিন সিকদার, মো. ফরিদ, আবদুল মান্নান মনু, মোজাহেরুল ইসলাম, আলমগীর চৌধুরী, মো. পারভেজ, মো. শওকত, গাজী মোহাম্মদ নাজিম, মো. মোজাম্মেল, মো. মানিক।